২৬ মার্চ ২০২৬ | SNA Official, News ডেস্ক,
দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় পদ্মা নদীতে যাত্রীবাহী বাস ডুবে যাওয়ার ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৬ জনে দাঁড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) আরও তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করার পর এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেল সোয়া ৫টার দিকে ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর একটি বাস ফেরিতে ওঠার সময় তিন নম্বর পন্টুন থেকে নদীতে পড়ে যায়।
[caption id="attachment_101" align="aligncenter" width="640"]
ছবি সংগৃহীত[/caption]
প্রায় ৬ ঘণ্টা পর রাতে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’র ক্রেন দিয়ে বাসটি নদী থেকে তোলা হয়।
নিহতদের সংখ্যা,
উদ্ধারকারী দল জানিয়েছে, নিহত ২৬ জনের মধ্যে ১১ জন নারী, ৭ জন পুরুষ এবং ৮ জন শিশু রয়েছে।
দুর্ঘটনার সময় বাসটিতে ৪০ থেকে ৫৫ জন যাত্রী ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের মধ্যে ৫ থেকে ৭ জন যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন।
এ পর্যন্ত উদ্ধার হওয়া ২৬ জনের মধ্যে ২৪ জনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-এর ডুবুরি দল বৃহস্পতিবার সকালে আরও তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে। উদ্ধার কাজ শেষে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা নিশ্চিত করা হয়।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে দুটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
একটি কমিটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন রাজবাড়ী জেলার অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট এবং অন্যটি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মুহিদুল ইসলাম। উভয় কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকাগামী বাসটি ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পন্টুন থেকে সরাসরি নদীতে পড়ে যায়। এরপর দ্রুত তলিয়ে যায় বাসটি।