চুরির আগে ফোন পুলিশের কাছে, পরে ধরা গরুচোর
গরু চুরিতে পুলিশকে ফোন,
- আপডেট সময় : ১০:৪৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

২৭ মার্চ ২০২৬ |SNA Official News ডেস্ক
বাঞ্ছারামপুর উপজেলাতে গরু চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে কথিত ফোনালাপ নিয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের হাতে আটক হওয়া এক গরুচোরের মোবাইল ফোনে পুলিশের সহযোগিতা চাওয়ার আলাপ পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার (২৫ মার্চ) রাতে উপজেলার দশানি গ্রামে মানিক মিয়ার একটি গরু চুরির ঘটনা ঘটে। পরে এলাকাবাসী অভিযুক্ত আলাল মিয়াকে আটক করে।

তার বাড়ি থেকে চুরি হওয়া গরুটি উদ্ধার করা হয় এবং মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
ফোনালাপে পুলিশের নাম উঠে আসার দাবি
জব্দ করা ফোনে কথোপকথনের সূত্র ধরে জানা যায়, অভিযুক্ত আলাল মিয়ার সঙ্গে মোহাম্মদ মাসুদ নামের এক পুলিশ কর্মকর্তার যোগাযোগ ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। তিনি বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই)।
আটক আলাল মিয়া স্থানীয়দের কাছে দাবি করেন, তিনি আগে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং সে সময় ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে টাকা দিয়ে সহযোগিতা পেতেন। তার অভিযোগ, গরু চুরির আগে সম্ভাব্য সমস্যার বিষয়ে তিনি ফোন করে সহায়তার আশ্বাস নিয়েছিলেন।
পুলিশের দাবি
অভিযুক্ত এএসআই মোহাম্মদ মাসুদ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি জানান, ইমোতে কথা হলেও অভিযুক্ত ব্যক্তিকে তিনি চিনতেন না এবং কোনো ধরনের সহযোগিতার প্রশ্নই ওঠে না।
প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া
মোহাম্মদ ইয়াসিন জানান, গরু চুরির ঘটনায় আলাল মিয়াকে আটক করা হয়েছে। পুলিশের এক সদস্যের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। 🚨












